রিভিউসেরা ৫

সেরা ৫টি টেকনো মোবাইলের দাম ২০২১

  • Tecno Camon 17p Mobile
  • Tecno Camon 15pro Mobile
  • Tecno 16pro Mobile
  • Tecno Spark 7pro Mobile
  • Tecno Spark 6 Mobile

টেকনো ক্যামন ১৭পি মোবাইলের দাম হলোঃ ১৮,৯৯০ টাকা।

২০২১ সালের মে মাসে ৫ তারিখ মুক্তি পায় টেকনো ক্যামন ১৭পি মোবাইল এবং এই মোবাইলটি বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে দু’টি রঙে পাওয়া যায় একটি রঙ হলো ফ্রস্ট স্লিভার অন্যটি স্প্রুস গ্রীন রঙ।

টেকনো ১৭পি মোবাইলটিতে ভালো লাগলো মতো দারুন কিছু ফিচারিং সিস্টেম দেয়া রয়েছে যেমনঃ ২জি,৩জি ও ৪জি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে এবং ক্যামন ১৭পি মোবাইলে আপনি দু’টি ছোট সিম ব্যবহার করতে পারবেন আরো যে সব সুবিধা থাকছে তাহলো ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই,জিপিএস,রেডিও,ইউএসবি, অটিজি,ইউএসবি টাইপ সি ইত্যাদি।

ক্যামন ১৭পি মোবাইলের বডি অংশটি প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা, মোবাইলটির ওজন ২০৯ গ্রাম, টেকনো ১৭পি মোবাইলে কোন প্রকার প্রোটেকশন গ্লাস নেই এমনকি মোবাইলটি ওয়াটারপ্রুফও না।

টেকনো ১৭পি মোবাইলের ডিসপ্লে আকার ৬.৮ ইন্সি, টেকনো ১৭পি ডিসপ্লে রেজুলেশন ১০৮০×২৪৬০ পিয়েক্সেল (৩৯৫পিপিআই), আইপিএস এলসিডি টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে টেকনো ১৭পি তে ৯০হার্টজ রিফ্রেস রেট ও ৫০০ নীটস প্রযুক্তি ব্যবহার করাও হয়েছে।

টেকনো ১৭পি মোবাইলটিতে কোয়ার্ড ক্যামেরা ৬৪+২+২ ম্যাগাপিয়েক্সেল + এআই লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে সাথে পিডিএফ, কোয়ার্ড এলইডি ফ্লাস,এইচডিআর,বুকেহ লেন্স,ম্যাকরো ইত্যাদি।

টেকনো ১৭পি মোবাইলের সামনে একটি ১৬ম্যাগাপিয়েক্সেল ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে সাথে ডোয়াল এলইডি ফ্লাস দেয়া হয়েছে, টেকনো ১৭পি মোবাইলটির সামনে ও পিছনের ক্যামেরা দিয়ে ১০৮০ পিয়েক্সেল রেজুলেশনের ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে।

টেকনো ১৭পি মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে দেয়া হয়েছে এন্ড্রয়েড ১১ (এইচআইওএস), প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে অক্টাকোর ২.০গিগাহার্টজ, মিডিয়াটেকের হ্যালিও জি৮৫ গেইমিং চিপ্সেট দেয়া হয়েছে ১৭পি মোবাইলটিতে, র‍্যাম ব্যবহার করা হয়েছে ৬জিবি এবং রোম ব্যবহার করা হয়েছে ১২৮জিবি।

টেকনো ১৭পি মোবাইলটিতে একস্ট্রা মেমোরি কার্ডে জন্য মাইক্রোএসডি ডেডিকেট স্লট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে ও ৫হাজারের পাওয়ার ফুল ব্যাটারি সাথে ১৮ ওয়ার্ডের ফাস্টিং চার্জার যার ফলে আপনি মোবাইলটি খুব দ্রুত চার্জ করতে পারবেন।

টেকনো ১৭পি মোবাইলে সাউন্ড সিস্টেম হিসাবে ৩.৫এমএম জ্যাক লাউড স্পিকার ব্যবহার করা হয়েছে এবং মোবাইলটিতে সিকিউরিটির জন্য ফেইস লক আর মোবাইলটির পিছনে একটি ফিংগারপ্রিন্ট লক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

টেকনো ক্যামন ১৫ প্রো মোবাইলের দাম হলোঃ ১৭,৯৯০ টাকা।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে দু’টি রঙে মুক্তি পায় টেকনো ক্যামন ১৫ প্রো মোবাইল যার একটি রঙ হলো আইস জেডাইট অন্যটি ওপাল হোয়াইট রঙ।

টেকনো ১৫ প্রো মোবাইলে ২জি,৩জি,৪জি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে এবং টেকনোর এই মোবাইলে মাঝে আপনি দু’টি ছোট সিম ব্যবহার করতে পারবেন আরো ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই,রেডিও, ইউএসবি, অটেজি ইত্যাদি তবে এই ফোনে ইউএসবি টাইপ সি সমর্থন করে না সুতরাং এই মোবাইলটি দিয়ে আপনি চাইলেও ইউএসবি টাইপ সি পর্টের কাজগুলি করতে পারবেন না।

টেকনো ১৫ প্রো মোবাইলে বিশেষত একটি দারুন ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে তাহলো ফোল ভিউ ম্যাক্স পপ-আপ সেল্ফি ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং আরো যে সকল ফিচার দেয়া হয়েছে তাহলো টেকনো মোবাইলটি প্লাস্টিক বডি ও ফোনটির ওজন ২০৩ গ্রাম।

টেকনো ১৫প্রো মোবাইলের ডিসপ্লে আকার ৬.৫৩ ইন্সি এবং ডিসপ্লেটিতে রেজুলেশন সমর্থন ১০৮০×২৩৪০ পিয়েক্সেল (৩৯০পিপিআই) আইপিএস এলসিডি টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি টেকনো ১৫প্রো মোবাইলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে তবে এখানে খারাপ লাগার বিষয় হচ্ছে কোন প্রকার প্রোটেকশন গ্লাস নেই।

টেকনো ক্যামন ১৫প্রো মোবাইলের পিছনে ৪৮+৫+২ ম্যাগাপিয়েক্সেলের কোয়ার্ড ক্যামেরা দেয়া হয়েছে,ব্যাক ক্যামেরায় পিডিএফ, কোয়ার্ড এলইডি ফ্লাস, আল্ট্রা ওয়াইড, আল্ট্রা নাইট মোড,ম্যাক্রো, ডিপ ইত্যাদি সকল ফিচার ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে।

টেকনো ক্যামন ১৫প্রো মোবাইলের সামনে ৩২ ম্যাগাপিয়েক্সেলের একটি সেল্ফি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে সামনে ক্যামেরাটি পপ-আপ ক্যামেরা । টেকনো ক্যামন ১৫প্রো মোবাইলটির পিছনের ও সামনের ক্যামেরা দু’টি দিয়ে সর্বোচ্চ ১০৮০ ম্যাগাপিয়েক্সেল রেজুলেশন ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে।

টেকনো ক্যামন ১৫প্রো মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে দেয়া হয়েছে এন্ড্রয়েড ১০ (এইচআইওএস ৬) প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে অক্টাকোর ২.৩৫গিগাহার্টজ আর চিপ্সেট দেয়া হয়েছে মিডিয়াটেকের হ্যালিও পি৩৫ যা একটি গেইমিং চিপ্সেট,টেকনো ক্যামন ১৫প্রো মোবাইলে ৬জিবি র‍্যাম ও ১২৮জিবি রোম ব্যবহার করা হয়েছে।

টেকনো মোবাইলটিতে ডেডিকেট মেমোরি হিসাবে আপনি ২৫৬জিবি মেমোরি পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন সাথে ৪হাজারের একটি পাওয়া ফুল ব্যাটারি এবং মোবাইলটি খুব দ্রুত চার্জ হওয়ার জন্য দেয়া হয়েছে ১০ওয়ার্ডের একটি ফাস্টিং চার্জার।

টেকনো ক্যামন ১৫প্রো মোবাইলে সাউন্ড সিস্টেম হিসাবে দেয়া হয়েছে ৩.৫এমএম জ্যাক লাউড স্পিকার এবং মোবাইলটির সিকিউরিটির জন্য ফেইস লক ও ফিংগারপ্রিন্ট লক দেয়া হয়েছে আর এই ফিংগারপ্রিন্ট লকটি মোবাইলটির পিছনে দেয়া হয়েছে।

টেকনো ১৬প্রো মোবাইলের দাম হলোঃ ১৬,৯৯০ টাকা।

২০২০ সালের অক্টোবর মাসে দু’টি রঙে মুক্তি পায় টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইল যার একটি হলো অকজেন ব্লাক অন্যটি আইস ক্রায়স্টল ব্লু রঙ।

টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলে ২জি,৩জি,৪জি নেটওয়ার্ক সাথে ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই,রেডিও, ইউএসবি, অটিজি, ইউএসবি টাইপ সি সমর্থন করে। টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলে কোন প্রকার প্রোটেকশন গ্লাস নেই, ওয়াটারপ্রুফ নয় মোবাইলটির বডি প্লাস্টিক ধারা তৈরি, টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলের ওজন ২০৯ গ্রাম।

টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলের ডিসপ্লে আকার ৬.৮ইন্সি, ডিসপ্লে রেজুলেশন ৭২০×১৬৪০ পিয়েক্সেল (৩৭৪পিপিআই) এই মোবাইলটিতে আইপিএস এলসিডি টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলের পিছনে ৬৪+৮+২ ম্যাগাপিয়েক্সেলের কোয়ার্ড ক্যামেরা সাথে এআই লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে আর সামনে ব্যবহার করা হয়েছে, পিছনের ক্যামেরায় পিডিএফ, পেন্টা এলইডি ফ্লাস,আল্ট্রাওয়াইড,ডিপথ, এইচডিআর প্রযুক্তি ব্যবহারও করা হয়েছে।

টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলের সামনে একটি ১৬ম্যাগাপিয়েক্সেল সেল্ফি ক্যামেরা + আই লেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, সামনের ক্যামেরার সাথে ডোয়াল এলইডি ফ্লাসও দেয়া হয়েছে। টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলের সামনে ও পিছনের ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০৮০পিয়েক্সেল রেজুলেশনের ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে।

টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে দেয়া হয়েছে এন্ড্রয়েড ১০ (এইচআইওএস ৬) প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে অক্টাকোর ২.০গিগাহার্টজ, চিপ্সেট দেয়া হয়েছে মিডিয়াটেকের হ্যালিও জি৭০ যা একটি গেইমিং চিপ্সেট, মোবাইলটিকে আরো বেশি পছন্দের গড়েছে ৬জিবি র‍্যাম ও ১২৮জিবি রোম আপনি চাইলে এই মোবাইলটিতে একস্ট্রা মেমোরি কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলটির মাঝে ৫হাজারের একটি শক্তিশালী ব্যাটারি এবং এই মোবাইলটি দ্রুত চার্জ হওয়ার জন্য ১৮ ওয়ার্ডের ফাস্টিং চার্জারও ব্যবহার করা হয়েছে।

টেকনো ক্যামন ১৬প্রো মোবাইলে ৩.৫এমএম জ্যাক লাউড স্পিকার এবং মোবাইলটির সিকিউরিটির জন্য ফেইস লক, ফিংগারপ্রিন্ট লক ব্যবহার করা হয়েছে,ফিংগারপ্রিন্ট লম মোবাইলটির পিছনে দেয়া হয়েছে।

টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলের দাম হলোঃ ১৩,৪৯০ এবং ১৪,৯৯০ টাকা।

টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলটি ২০২১ সালের মে মাসে ২ তারিখ ৩টি রঙে সাথে বাংলাদেশে মুক্তি পায় (আল্পস নীল, স্প্রুস গ্রিন, নিওন ড্রিম, চুম্বক কালো)।

টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলে ২জি,৩জি,৪জি নেটওয়ার্ক, ডোয়াল নেনু সিম, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই,হটস্পট,জিপিএস,রেডিও,ইউএসবি, অটিজি সমর্থন করে কিন্তু ইউএসবি টাইপ সি সমর্থন করে না। টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলটি প্লাস্টিক বডি এবং ডিসপ্লেতে কোন প্রকার প্রোটেকশন গ্লাস নেই মোবাইলটির ওজন ২০৩ গ্রাম।

টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলের ডিসপ্লে আকার ৬.৬ইন্সি ও ডিসপ্লে রেজুলেশন সমর্থন করে ৭২০×১৬০০ পিয়েক্সেল (২৬৬পিপিআই) মোবাইলটিতে আইপিএস এলসিডি টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি ব্যবহারও করা হয়েছে, স্পার্ক ৭প্রো তে ৯০হার্টজ রিফ্রেস রেট মাল্টিটাচ ফিচার দেয়া হয়েছে।

টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলটির পিছনে দেয়া হয়েছে ট্রিপল ৪৮ম্যাগাপিয়েক্সেল মেইন ক্যামেরা, পিডিএফ, কোয়ার্ড এলইডি ফ্লাস, এইচডিআর ফিচারিং সিস্টেমও দেয়া হয়েছে এবং মোবাইলটির সামনে ৮ম্যাগাপিয়েক্সেল ক্যামেরা সাথে ডোয়াল এলইডি ফ্লাস, টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইল দিয়ে সামনে ও পিছনের ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০৮০ পিয়েক্সেল রেজুলেশনের ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে।

স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে দেয়া হয়েছে এন্ড্রয়েড ১১ (এইচআইওএস ৭.৫) প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে অক্টাকোর ২.০গিগাহার্টজ, চিপ্সেট দেয়া হয়েছে মিডিয়াটেকের হ্যালিও জি৮০ যা একটি গেইমিং চিপ্সেট এবং মোবাইলটিতে ৪জিবি,৬জিবি র‍্যাম ও ৬৪জিবি রোম ব্যবহার করা হয়েছে।

টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলে ৫হাজার এমএএইচ শক্তিশালী ব্যাটারি সাথে ১০ওয়ার্ডের ফাস্টিং চার্জার ব্যবহার করা হয়েছে যাতে মোবাইলটি দীর্ঘসময় ব্যবহার করা যায়।

টেকনো স্পার্ক ৭প্রো মোবাইলে ৩.৫এমএম জ্যাক লাউড স্পিকার এবং সিকিউরিটি সিস্টেম হিসাবে দেয়া হয়েছে ফিংগারপ্রিন্ট লক, ফেইস লক, ফিংগারপ্রিন্ট লক মোবাইলটির পিছনে দেয়া হয়েছে।


টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের অফিসিয়াল দাম হলোঃ ১২,৪৯০ টাকা।

২০২০ সালের সেপ্টেবার মাসের ২৫ তারিখে বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে অফিসিয়াল ভাবে ৪টিং রঙ সহকারে মুক্তি পায় টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইল।

মহাসাগর নীল, ধূমকেতু কালো, গতিশীল অরাবজি, মিস্টি ভায়োলেট এই ৪টি রঙের মাঝে আপনার পছন্দের একটি বেছে নিতে পারেন এবং এই ৪টি রঙের মোবাইল বর্তমানে বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে সচারচর পাওয়া যায়।

টেকনো স্পার্ক ৬ ফিচারিং সমূহ জানুন।

চলুন প্রথমে আমরা টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের মূল ফিচার সমূহ সম্পর্কে জানি, ২জি,৩লি,৪জি নেটওয়ার্ক (ব্লট), ডোয়াল নেনু সিম কার্ড, ব্লুটুথ, ওয়াই ফাই, হটস্পট, রেডিও, জিপিএস, ইউএসবি, অটিজি ইত্যাদি ফিচার সমর্থন করে টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলে।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের বডি স্টাইল পাঞ্চ হলে ও বডি ফ্রেম প্লাস্টিক সামনে গ্লাস মাল্টিটাচ স্ক্রিন, মোবাইলটি ওয়াটারপ্রুফ নয় আর স্পার্ক ৬ মোবাইলের ওজন ১৯২ গ্রাম মাত্র।

এবার আসুন টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের ডিসপ্লে ও ক্যামেরা সম্পর্কে জানি, টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের ডিসপ্লে আকার ৬.৬ ইন্সি ও ডিসপ্লে রেজুলেশন ৭২০x১৬৪০ পিক্সেল (২৬৩ পিপিআই), আইপিএস এলসিডি টাচস্ক্রিন, ডিসপ্লেতে কোন প্রকার প্রোটেকশন গ্লাস ব্যবহার করা হয়নি।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের পিছনে ৩টি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে, কোয়াড ১৬+২+২ মেগাপিক্সেল+কিউভিজিএ এবং পিছনের ৩টি ক্যামেরায় পিডিএএফ, কোয়াড-এলইডি ফ্ল্যাশ, এফ/১.৮, ম্যাক্রো, ডিপথ, এইচডিআর ইত্যাদি ফিচারসমূহ ব্যবহার করতে পারবেন, পিছনের ক্যামেরায় আরো একটি বিশেষ ফিচার দেয়া হয়েছে যা হলো কোয়ার্ড এইচডি (১৪৪০পিক্সেল) প্লাস রেজুলেশনের ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের সামনের ক্যামেরা ৮ ম্যাগাপিয়েক্সেল, সামনের এই ক্যামেরা দিয়ে যেসকল ফিচারসমূহ ব্যবহার করতে পারবেন এফ/২.০, ডুয়াল এলইডি ফ্ল্যাশ, এইচডিআর ফিচারিং সিস্টেম ও এই ক্যামেরার মাধ্যমে ফুল এইচডি (১০৮০পিক্সেল) প্লাস রেজুলেশনের ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে দেয়া হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ১০ (এইচআইএস ৭.০), প্রসেসর অক্টা-কোর, ২.০ জিএইচজেড, চিপস্টে মিডিয়াটেক হ্যালিও জি৭০, জিপিইউ দেয়া হয়েছে ম্যালি জি-৫২, র‍্যাম ৪জিবি ও রোম ১২৮জিবি আপনি চাইলে এই মোবাইলটিতে ২৫৬জিবি ডেডিকেটেড স্লট মেমোরি কার্ড ব্যবহারও করতে পারবেন।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলটিতে ব্যাটারি হিসাবে লিথিয়াম-পলিমার ৫,০০০ এমএএইচ (অপসারণযোগ্য নয়) একটি শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে এবং মোবাইলটি দ্রুত চার্জ হওয়ার জন্য ১৮ওয়ার্ডের একটি ফাস্টিং চার্জ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে তবে আপনি এই মোবাইলটির বক্সে ১০ওয়ার্ডের চার্জার পাবেন।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলে ৩.৫ এমএম জ্যাক লাউড স্পিকার এবং সিকিউরিটির জন্য মোবাইলটির পিছনে ফিংগারপ্রিন্ট ও সামনে ফেইস লক সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে আর সেন্সর হিসাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, অ্যাক্সিলারোমিটার, প্রক্সিমিটি সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের ভালো দিকঃ

৪জি নেটওয়ার্ক, অটিজি, ৪টি রঙ, ৬.৬ ইন্সি ডিসপ্লে, ৭২০x১৬৪০ পিক্সেল ডিসপ্লে রেজুলেশন, মোবাইলটির ওজন ১৯২ গ্রাম মাত্র, পিছনে কোয়াড ১৬+২+২ মেগাপিক্সেল+কিউভিজিএ ক্যামেরা ও সামনে ৮ ম্যাগাপিয়েক্সেল ক্যামেরা, পিছনের ক্যামেরা দিয়ে (১৪৪০পিক্সেল) প্লাস রেজুলেশনের ভিডিও রেকর্ডিং করা যাবে।

সামনের ক্যামেরা দিয়ে ফুল এইচডি (১০৮০পিক্সেল) প্লাস রেজুলেশনের ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন, অপারেটিং সিস্টেম দেয়া হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ১০, প্রসেসর অক্টা-কোর, ২.০ জিএইচজেড, চিপস্টে মিডিয়াটেক হ্যালিও জি৭০, জিপিইউ দেয়া হয়েছে ম্যালি জি-৫২, রোম ১২৮জিবি, ৫,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ১৮ওয়ার্ডের ফাস্টিং চার্জ সিস্টেম, মোবাইলটির পিছনে ফিংগারপ্রিন্ট ও সামনে ফেইস লক সিস্টেম ইত্যাদি ফিচারিং সমূহের জন্য ১২,৪৯০ টাকায় একটি ভালো মানের প্যাকেজ হবে।

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলের খারাপ দিকঃ

টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলে ইউএসবি টাইপ সি সমর্থন করে না, র‍্যাম ৪জিবি ব্যবহার করা হয়েছে, কোন প্রকার গ্লাস প্রোটেকশন নেই, ১৮ওয়ার্ড ফাস্টিং চার্জার সমর্থন করলেও মোবাইলটির বক্সে ১০ওয়ার্ডের চার্জার দেয়া হয়েছে, মোবাইলটি ওয়াটারপ্রুফ নয় ইত্যাদি।

বিশেষ মতামতঃ

বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে ১২,৪৯০ টাকায় যতগুলি মোবাইল পাওয়া যায় তাদের মধ্যে অন্যতম মোবাইল হলো টেকনো স্পার্ক ৬, কেনো ১২,৪৯০ টাকা বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে পাওয়া যায় যতগুলি মোবাইল রয়েছে সে সব মোবাইলগুলিতে এতো সব ফিচার দেয়া হয় না বা হয়নি যা এই মোবাইলটিতে দেয়া হয়েছে সুতরাং আপনি যদি কম দামে একটি ভালো মানের মোবাইল অনুসন্ধান করে থাকেন তাহলে টেকনো স্পার্ক ৬ মোবাইলটি সেরা পছন্দ হতে পারে আপনার জন্য।

শেষ কথাঃ

একটি ভালো মোবাইল কে না কিনতে চাই, সবার ইচ্ছা নিজের জন্য একটি সেরা মোবাইল কিনতে যাতে করে সে তার মোবাইলটি দিয়ে পছন্দের সকল কাজ করতে পারে ও দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহার করতে পারে তাই আপনি যদি একটি ভালো মোবাইল কিনতে চান তাহলে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গুরুত দিবেন।

ভালো ডিসপ্লে, ভালো ক্যামেরা, র‍্যাম ও রোম, প্রসেসর, চিপস্টে, ব্যাটারি, ডিসপ্লে রেজুলেশন, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ফিচার সমূহ যদি ভালো নিতে পারেন তাহলে আপনার মোবাইলটি দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহার করা যাবে।

বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে অনেক মোবাইল কোম্পানির মোবাইল পাওয়া যায় তাহলে আপনার জন্য কোন কোম্পানির মোবাইল ভালো হবে সেটা নির্বাচন করতে গিয়ে সকলেই হিমশিম খেয়ে পড়ে।

আমি বলে থাকি আপনি আপনার বাজেট বা সামর্থান অনুযায়ী যে সকল মোবাইল বাজারে পাওয়া যায় সে সব মোবাইলের ফিচারগুলিকে একটি থেকে অন্যটির সাথে তুলনা করবেন এবং তখন দেখবেন যে মোবাইলটি দাম অনুযায়ি ভালো ও বেশি ফিচার দিচ্ছে সে মোবাইলটি কিনে নিবেন।

আসলে ব্যান্ড কোন কিছু নয়, সকল মোবাইল কোম্পানির শুরুটা নন ব্যান্ড দিয়ে শুরু হয়েছে তাই যদি আপনি ব্যান্ড নিয়ে চিন্তায় থাকেন তাহলে কখনই ভালো মোবাইল নিতে পারবেন না তার কারণ হচ্ছে ব্যান্ড মোবাইলগুলিতেও ঝামেলা থাকে, তারপরও যদি আপনি ব্যান্ড অথবা এই মোবাইলটি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তাহলে আপনি আমাদের সাইটে রিভিউ ক্যাটাগরি অপশনটি একবার ঘুরে আসুন সেখানে আরো ভালো ও ব্যান্ড মোবাইলের রিভিউ দেয়া আছে আসা করি সেখান থেকে একটি মোবাইল আপনার পছন্দ হতেও পারে।

ধন্যবাদ

জাহিদুল ইসলাম

শিখতে ভালোবাসি :)

সম্পর্কিত আর্টিকেল

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Back to top button

অ্যাডব্লকার ডিটেক্টেড

আপনি সম্ভবত অ্যাডব্লকার ব্যবহার করছেন। আমাদের সাইট ভিজিট করতে চাইলে অবশ্যই অ্যাডব্লকার ডিজেবল করতে হবে।